২০২২ সাল থেকে আমরা বাংলাদেশের লক্ষো খেলোয়াড়ের জন্য একটি নিরাপদ, আনন্দদায়ক ও দায়িত্বশীল গেমিং পরিবেশ তৈরি করে আসছি। Joya9 APS শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি একটি কমিউনিটি।
Joya9 APS-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি সহজ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশের মানুষ কি তাদের মাতৃভাষায়, পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং স্থানীয় রুচিবোধ অনুযায়ী একটি ভালো গেমিং অভিজ্ঞতা পেতে পারেন? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই তৈরি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম।
২০২২ সালে যখন আমরা শুরু করি, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের বাজার দ্রুত বাড়ছিল। কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মই ছিল বিদেশি ভাষায়, বিদেশি পেমেন্টে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে কেউ কাজ করছিল না। Joya9 APS সেই শূন্যস্থানটাই পূরণ করতে চেয়েছে।
আমাদের দলটি ছোট হলেও অভিজ্ঞ। গেমিং ইন্ডাস্ট্রির পাশাপাশি বাংলাদেশের ডিজিটাল ফিনটেক এবং মোবাইল প্রযুক্তিতেও আমাদের দলের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে। তাই বিকাশ ও নগদের মতো স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা আমাদের জন্য স্বাভাবিক পদক্ষেপ ছিল।
অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে যেগুলো বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের টার্গেট করে, কিন্তু তাদের পুরো ইন্টারফেস ইংরেজিতে। Joya9 APS-এ সব কিছু বাংলায় — মেনু, বোনাস অফার, সাপোর্ট চ্যাট এমনকি নোটিফিকেশনও। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, মাতৃভাষায় কথা বললে আস্থা তৈরি হয় সহজে।
Joya9 APS শুধু ঢাকা বা চট্টগ্রামের কথা ভাবে না। রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, খুলনা বা কুমিল্লার কোনো মানুষও যাতে একই মানের সেবা পান, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। মোবাইল ডেটা স্লো হলেও গেম যাতে চলে — সেই প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ আমরা করেছি।
বাংলাদেশের মানুষ বিকাশ ও নগদে অভ্যস্ত। ব্যাংক ট্রান্সফার বা ক্রেডিট কার্ডের মতো জটিল পদ্ধতি অনেকের কাছে পরিচিত নয়। তাই Joya9 APS-এ শুরু থেকেই বিকাশ, নগদ ও রকেট দিয়ে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মিনিটের মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন হয়।
আমরা কখনো উইথড্রল আটকে রাখি না বা অযৌক্তিক শর্ত দিই না। টাকা চাইলে দ্রুত পাওয়া যায় — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং এটাই আমাদের লক্ষো লক্ষো সদস্যের বিশ্বাস অর্জনের ভিত্তি।
যে কারণে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা Joya9 APS বেছে নেন
Joya9 APS আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। সব তথ্য SSL দিয়ে এনক্রিপ্টেড এবং পেমেন্ট সম্পূর্ণ নিরাপদ। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং — বিকাশ, নগদ ও রকেটে সরাসরি লেনদেন করুন। ডিপোজিট মিনিটে, উইথড্রল সাধারণত ১-৩ ঘণ্টায় সম্পন্ন হয়।
Aviator, Teen Patti, Andar Bahar, Cricket X, Fishing Games, Slots — বাংলাদেশি রুচি অনুযায়ী বাছাই করা ২০০টিরও বেশি গেম। সব গেমে সার্টিফাইড RNG ব্যবহার হয়।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। Joya9 APS অ্যাপ ও মোবাইল সাইট সেই বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি — ধীর নেটেও ভালো চলে।
যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলুন আমাদের সাপোর্ট দলের সাথে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল — দিনরাত যেকোনো সময় সাহায্য পাওয়া যায়।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, নিয়মিত রিলোড বোনাস, রেফারেল পুরস্কার এবং সিজনাল অফার — প্রতিটি ধাপে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়।
যে নীতিগুলো আমাদের প্রতিদিনের কাজকে পরিচালিত করে
আমরা কোনো লুকানো শর্ত বা চমক রাখি না। বোনাসের নিয়ম, ওয়েজারিং শর্ত, ফি — সব কিছু সরাসরি বলা থাকে।
প্রতিটি গেমে সার্টিফাইড RNG ব্যবহার হয়। কোনো ম্যানিপুলেশন নেই — প্রতিটি ফলাফল সম্পূর্ণ এলোমেলো এবং যাচাইযোগ্য।
খেলোয়াড়ের সুস্থতা আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সীমা নির্ধারণ, স্বেচ্ছায় বিরতি — এসব সুবিধা সবসময় পাওয়া যায়।
প্রযুক্তি ও গেমিং ট্রেন্ড প্রতিনিয়ত বদলায়। আমরা সব সময় নতুন ফিচার ও গেম যোগ করি যাতে অভিজ্ঞতা সেরা থাকে।
মাত্র কয়েক বছরে Joya9 APS বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই পথটা একদিনে তৈরি হয়নি।
একটি ছোট দল নিয়ে Joya9 APS-এর যাত্রা শুরু। প্রথম ১০০০ সদস্য সংগ্রহ।
বাংলাদেশের প্রথম গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকাশে সরাসরি পেমেন্ট চালু।
নগদ ও রকেট যোগ হওয়ার পর মাত্র ৮ মাসে ১ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্য।
Android APK ও iOS PWA প্রকাশ। মোবাইল ব্যবহারকারী ৩ গুণ বৃদ্ধি।
লাইভ ক্যাসিনো, ক্র্যাশ গেম ও স্পোর্টস বেটিং যোগ হওয়ার পর বিশাল প্রসার।
গেমিং ও ফিনটেক ইন্ডাস্ট্রিতে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা।
মোবাইল অ্যাপ ও লো-লেটেন্সি গেমিং ইঞ্জিনের পেছনে মূল কারিগর। ৮ বছরের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট অভিজ্ঞতা।
ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা ও গেম কিউরেশনের দায়িত্বে। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের পছন্দ বোঝায় বিশেষজ্ঞ।
লাইসেন্সিং, রেসপন্সিবল গেমিং ও আইনি বিষয়াবলীর তত্ত্বাবধান। আন্তর্জাতিক গেমিং নিয়মকানুনে অভিজ্ঞ।
Joya9 APS বিশ্বাস করে, গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম — আর্থিক চাপ তৈরির উপায় নয়। তাই আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীল গেমিংকে আমাদের পরিষেবার কেন্দ্রে রেখেছি।
প্রতিটি অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ, স্বেচ্ছায় বিরতি এবং নিজেকে বাদ দেওয়ার (self-exclusion) সুবিধা আছে। কেউ যদি মনে করেন তাদের গেমিং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, আমাদের সাপোর্ট দল সাহায্য করতে সবসময় প্রস্তুত।
Joya9 APS-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় খেলোয়াড়ের সুবিধার কথা মাথায় রেখে। আমরা কখনো আক্রমণাত্মক মার্কেটিং করি না বা অতিরিক্ত গেমিংয়ে উৎসাহিত করি না।
আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও লেনদেনের বিবরণ সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়। আমরা GDPR নীতি অনুসরণ করি এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে তথ্য শেয়ার করি না।
আমাদের সব গেমের RNG তৃতীয় পক্ষের অডিটর দ্বারা মাসিক ভিত্তিতে যাচাই করা হয়। ফলাফল কখনো পূর্বনির্ধারিত নয়।
Joya9 APS শুধু একটি গেম খেলার জায়গা নয় — এটি একটি কমিউনিটি। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে একে অপরের সাথে সংযুক্ত হন, লাইভ গেমে পাশাপাশি বসেন, টুর্নামেন্টে প্রতিযোগিতা করেন। এই মানবিক সংযোগটাই Joya9 APS-কে আলাদা করে তোলে।
আমাদের লাইভ ক্যাসিনো গেমগুলোতে বাংলাভাষী ডিলারও পাওয়া যায় অনেক সময়। ঈদ বা পূজার মতো বিশেষ দিনে আমরা কমিউনিটি ইভেন্ট করি, বিশেষ টুর্নামেন্ট আয়োজন করি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, উৎসবের আনন্দটা ভাগ করে নিলে দ্বিগুণ হয়।
আমরা থেমে নেই। আগামী দিনে Joya9 APS-এ আরও বেশি গেম, আরও উন্নত মোবাইল অ্যাপ এবং আরও দ্রুত পেমেন্ট ব্যবস্থা আসছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি পেমেন্ট, ভার্চুয়াল স্পোর্টস এবং নতুন লাইভ গেম ক্যাটাগরি যোগ করার পরিকল্পনা আছে।
সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মানুষের কাছে পৌঁছানো। যে মানুষটি এখন পর্যন্ত অনলাইন গেমিং ব্যবহার করেননি, তার জন্যও যেন Joya9 APS সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে — সেটাই আমাদের আগামীর কাজ।
আমাদের সাথে থাকুন, খেলুন এবং জিতুন — কিন্তু সবার আগে উপভোগ করুন।
অনলাইন গেমিং শুধুমাত্র ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সীদের জন্য প্রযোজ্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন এবং নিজের বাজেট নির্ধারণ করুন। আরও তথ্যের জন্য দায়িত্বশীল খেলা ও নিয়ম ও শর্তাবলী পড়ুন।
Joya9 APS-এর ১৫ লক্ষেরও বেশি সদস্যের কমিউনিটিতে যোগ দিন। নিবন্ধন করুন, ওয়েলকাম বোনাস নিন এবং আজই আপনার প্রিয় গেম খেলা শুরু করুন।